পরলোকগত বিশিষ্ট লোকজীবন বিশেষজ্ঞ ও লোকশিক্ষক ইমদাদুল হক আনুভাইয়ের স্মরণে করণীয় নির্ধারণ করতে দ্বিতীয় সভা ২৮ আগস্ট ২০০৯ সকাল ১১টায় আলাউদ্দিন মোল্লার বাসা, ২৩-২৪ রফিক হাউজিং, সড়ক ৮, পিসি কালচার, ব্লক খ, শেখেরটেক, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন আলাউদ্দিন মোল্লা, জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়, ডা. ইকবাল হোসেন, আনসার আলী মল্লিক রাজ, অরিজিৎ রায়, পীযুষকান্তি কুণ্ডু, আনসার আলী, হাসান আলী ও মিজানুর রহমান। এছাড়া বিভিন্ন কারণে উপস্থিত হতে না-পারায় ই-মেইল ও টেলিফোনে সংহতি জানিয়ে সিদ্ধান্তগ্রহণে সহায়তা করেছেন এএফএম রেজাউল করিম, কাজী আবুল হাশেম সাদা, মুজিব মেহদী, অরুণ বসু, গৌতম সান্যাল, খলিলুর রহমান, পুলক রাহা, মনোয়ার মোস্তফা, ইয়াসিন আরাফাত, মেহরাব উল গণি, মাজহারুল ইসলাম, আ. রকিব, কৃষ্ণা চট্টোপাধ্যায় প্রমুখ। সভার শুরুতে ১৫ আগস্ট ঢাকায় ও ২১ আগস্ট ফুলতলায় অনুষ্ঠিত স্মরণসভা সুন্দরভাবে অনুষ্ঠিত হওয়ায় আয়োজক ও অংশগ্রহণকারী সকলকে অভিনন্দন জানানো হয়। এরপর আনুভাইয়ের স্মরণে স্মারকগ্রন্থ বিষয়ে আলোচনা হয়। সিদ্ধান্তসমূহ--
আনুভাই স্মারকগ্রন্থ-এর জন্য তাঁর সম্পর্কে যেকোনো লেখা (জীবন, কর্ম, স্মরণ, অভিজ্ঞতা, স্মৃতি, প্রশিক্ষণ সংক্রান্ত, গল্প ইত্যাদি) ও ছবি যত দ্রুত সম্ভব জ্যোতি চট্টোপাধ্যায় (ই মেইল : jchatto@gmail.com, ফোন : ০১৭১১২০৮০০০) অথবা ডাকঠিকানা : আইইডি, ১৩/১৪ বাবর রোড, ব্লক বি, মোহাম্মদপুর, ঢাকা ১২০৭)-এর কাছে পাঠাতে হবে।
খুলনা অঞ্চলের লেখা ও ছবি আ. হালিম, খায়রুজ্জামান খোকন, সুলতান আহমেদ ও অধ্যাপক শফিউল্লাহ সংগ্রহ করে জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়ের কাছে পাঠাবেন। যশোর ও ঝিনাইদহ অঞ্চলের লেখার জন্য পীযূষ যোগাযোগ করবেন।
আনুভাইয়ের পরিবারের সদস্যদের লেখা ও ছবির জন্য যোগাযোগ করবেন সুলতান আহমেদ ও অধ্যাপক শফিউল্লাহ।
লেখাগুলো পেলে সম্পাদনা করে স্মারকগ্রন্থটি ছাপার খরচের বিষয়টি পরিমাপ করা হবে। তারপর এর জন্য সহায়তা চাওয়া হবে।
আনুভাই স্মরণে একটি ব্লগ খোলা হয়েছে। ব্লগের ঠিকানা চিরঞ্জীব আনুভাই। ঠিকানা সকলকে ই-মেইল করে জানানো হয়েছে। ব্লগ নিয়মিত আপডেট করবেন মুজিব মেহদী। তাঁকে নিয়মিত তথ্য দিয়ে সকলে সহায়তা করবেন।
পরবর্তী সভার দিন ও সময় সকলকে ই-মেইল করে জানিয়ে দেয়া হবে।
পরলোকগত বিশিষ্ট লোকজীবন বিশেজ্ঞ ওলোকশিক্ষক ইমদাদুল হক আনুভাইয়ের স্মরণে ২১ আগস্ট ২০০৯ খুলনার ফুলতলায়দিনব্যাপী কর্মসূচি নেয়া হয়েছিল। তার মধ্যে ছিল-- সকালে আনুভাইযের বাড়িতেমিলাদ, কাঙালিভোজ, অংশগ্রহণকারীদের সাথে মতবিনিময় এবং বিকেলে আসাদ-রফিপাঠাগারে স্মরণসভা।
২১আগস্ট ২০০৯ বিকাল ৬টায় ফুলতলা আসাদ-রফি পাঠাগারের উদ্যোগে পাঠাগার চত্বরেআনুভাই স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় আনুভাইয়ের ফুলতলা ও খুলনাস্থ শত শতরাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক ও উন্নয়ন সহকর্মী, ভক্ত ও গুণগ্রাহী উপস্থিত ছিলেন।এতে সভাপ্রধানের দায়িত্ব পালন করেন বিশিষ্ট রাজনীতিক ও সমাজনেতা কমরেডহাফিজুর রহমান ভূঁইয়া।
সভায়আনুভাইযের জীবন-চিন্তা-কর্ম ও আনুভাই-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলেধরেন প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আনোয়ারুজ্জামান মোল্লা, অধ্যাপক অচিন্ত্যভৌমিক, আলাউদ্দিন মোল্লা, রূপান্তরের নির্বাহী প্রধান স্বপন গুহ, অ্যাডভোকেট আবদুল্লা হোসেন বাচ্চু, অ্যাডভোকেট কুদরত-ই-খুদা, ফজলে খোদাবাচ্চু, সংগীতশিল্পী ও শিক্ষক সন্ধ্যারানী, মাহবুবুর রহমান বাচ্চু, অ্যাডভোকেট আখতারুজ্জামান, কবীর, আবদুল হানিফ, আনসার আলী মোল্লা, অধ্যাপকশফিউল্লা সরদার ও জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়। আলোচকরাবলেন, ইমদাদুল হক আনু ছিলেন একজন স্বশিক্ষিত লোকজীবন বিশেষজ্ঞ। তিনিসারাজীবন জনগণের কাছ থেকে শিখেছেন আর তা সমাজের ছাত্র-যুব-উন্নয়ন কর্মীদেরশিখিয়েছেন। তিনি ছিলেন একাধারে সমাজবিশেষজ্ঞ, শিক্ষক, সংগীতজ্ঞ-অভিনেতা-গল্পকার, সজ্জনব্যক্তি, বন্ধুবৎসল ও আন্তরিকআড্ডাশিল্পী। তিনি বিভিন্নসময়ে প্রগতিশীল রাজনৈতিক আন্দোলন, সাম্প্রদায়িকতা বিরোধী আন্দোলন, কৃষক আন্দোলন, সংস্কৃতি আন্দোলন, স্থানীয়ও জাতীয় সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ড, সর্বশেষ ফুলতলার পানি আন্দোলনে মূখ্যভূমিকা রাখেন। সন্দীপন ও শতদল সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ খুলনার সংস্কৃতিআন্দোলনে তাঁর অন্যতম ভূমিকা ছিল। তিনি একজন আদর্শ প্রশিক্ষক ছিলেন।পড়াশুনা, মতবিনিময়, আড্ডা, গল্প, গান, অভিজ্ঞতা বিনিময় যে শিক্ষা ওপ্রশিক্ষণের প্রক্রিয়া হতে পারে উন্নয়ন সেক্টরে তার প্রথম দৃষ্টান্ত তিনিরেখেছেন। মাত্র তিনদিনের প্রশিক্ষণে সক্রিয় মানুষ তৈরির কাজ করতেন তিনি, তাই গণসাহায্য সংস্থার হাজার হাজার কর্মী ও অভীষ্টজনসহ সকলে তাই তাঁকেকোনো-না-কোনোভাবে মনে রেখেছেন। তাঁর অকালপ্রয়াণে ফুলতলা এলাকার সক্রিয়নাগরিকরা একজন উদ্যোগী বন্ধু হারিয়েছে। আর সংস্কৃতি-রাজনীতি-উন্নয়নকর্মীরাএকজন শিক্ষক ও জনউদ্যোগের প্রেরণাদাতাকে হারিয়েছে।
সভাপ্রধানের ভাষণে হাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ইমদাদুল হক আনুরঅকালপ্রয়াণে এ অঞ্চলের মানুষ একজন উদ্যোগী সমাজকর্মী ও শিক্ষককে হারিয়েছে।ষাটের দশক থেকে তিনি সকল সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকানিয়ে যুক্ত ছিলেন। সম্প্রতি খুলনা সিটি করপোরেশনের জন্য ফুলতলা থেকে পাইপেকরে পানি নেয়ার বিরুদ্ধে আন্দোলন-সংগঠনে তিনি বলিষ্ঠ ভূমিকা নিয়েছিলেন।তিনি বলেছিলেন, এ পানি খুলনায় গেলে ফুলতলায় মরুকরণ প্রক্রিয়া শুরু হবে, তাই তা ঠেকাতে হবে। তিনি ছিলেন মানুষকে উদ্বুদ্ধ করার সক্ষমতাসহ সচেতনকর্মী তৈরির যথার্থ কারিগর। কয়েকদিন আগে তিনি এ অঞ্চলে আরো প্রগতিশীল, সমাজ ও শ্রেণি সচেতন কর্মী তৈরি করতে স্বেচ্ছায় প্রশিক্ষণের দায়িত্ব নিতেচেয়েছিলেন। তাঁর মৃত্যুতে আমরা তা থেকে বঞ্চিত হলাম।
মিলাদ শেষে উপস্থিত সকলের মধ্যে পর্যালোচনার ভিত্তিতে এবং স্মরণসভায় আলোচনার মাধ্যমে কয়েকটি সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
আনুভাইয়ের প্রেরণাময়জীবন ও শিক্ষাকে মনে রাখতে একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ করা হবে। তাই তাঁরসম্পর্কে যেকোনো লেখা (স্মরণ, অভিজ্ঞতা, স্মৃতি, গল্প) ও ছবি সংগ্রহ করাহবে। লেখা ও ছবি আগামী একমাসের মধ্যে জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়, ই-মেইল : jchatto@gmail.com (ফোন : ০১৭১১২০৮০০০)-এ অথবা ডাকযোগে আইইডি, ১৩/১৪ বাবররোড, ব্লক বি, মোহাম্মদপুর, ঢাকা ১২০৭ ঠিকানায় পাঠাতে হবে। সম্পাদিতস্মারকগ্রন্থটি ছাপার খরচের জন্য সহায়তা নেয়া হবে।
আনুভাই স্মরণে কয়েকদিনের মধ্যে একটিব্লগ খোলা হবে। এজন্য ঢাকা থেকে মুজিব মেহদী উদ্যোগ ও দায়িত্ব নেবেন, সকলেতাঁকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করবেন।
সম্ভব হলে পাঠাগারে আনুভাইয়ের একটি আবক্ষ মূর্তি স্থাপন করা হবে।
প্রতি বছর ১০ আগস্ট আনুভাইকে স্মরণ করতে ফুলতলায় তাঁর বাড়িতে সুহৃদ-সম্মিলন ও পাঠাগারে স্মরণসভার আয়োজন করা হবে।
বিশিষ্ট লোকজীবন বিশেষজ্ঞ ও লোকশিক্ষক ইমদাদুল হক আনুভাইয়ের প্রয়াণঘটনায় তাঁর স্মরণে গত ১৫ আগস্ট ২০০৯ বিকাল ৩টায় এমএসএস কনফারেন্স কক্ষে (সেল সেন্টার, পান্থপথ, ঢাকা) এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন আনুভাইয়ের রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক সহকর্মী ও সুহৃদ জাহিদ হোসেন এবং জিএসএস-এর সহকর্মীবৃন্দ যথা আলাউদ্দিন মোল্লা, জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়, এএফএম রেজাউল করিম, ডা. ইকবাল হোসেন, গৌতম সান্যাল, আনসার আলী মল্লিক রাজ, মীর মুর্তজা আলী বাবু, অরুণ বসু, অরিজিৎ রায়, বিপ্লব বালা, পীযুষকান্তি কুণ্ডু, মুজিব মেহদী, মনোয়ার মোস্তফা, পুলক রাহা, ইয়াসিন আরাফাত, অলকা নন্দিতা, তমিজউদ্দিন তমাল, বেনজির আহমেদ, হাসান আলী, চন্দন লাহিড়ী, মেহরাব উল গণি, কৃষ্ণা চট্টোপাধ্যায়, রাজীব নূর, আতাউর রহমান চঞ্চল, এরশাদুজ্জামান, ফাহমিদা হক, আবুল বাশার ভুঁইয়া, শিবশঙ্কর ভৌমিক প্রমুখ। সভা পরিচালনা করেন জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়।
সভার শুরুতে অরুণ বসুর আহ্বানে আনুভাই স্মরণে সকলে দাঁড়িয়ে ১ মিনিট নীরবতা পালন করেন। এরপর আনুভাইয়ের ওপর একটি লেখা পাঠ করেন জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়। পরে একে একে প্রায় সবাই আনুভাইয়ের কর্মময় জীবন, লোকজ্ঞান ও সমাজ ধারণা, শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ প্রক্রিয়া, আড্ডা ও গল্পের ধরন এবং তাঁর সাথে সকলের ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা আলোচনা করেন।
সকলে বলেন, আনুভাই ছিলেন গভীর জীবনবোধের অধিকারী একজন স্বশিক্ষিত লোকজীবন বিশেষজ্ঞ। তিনি সারাজীবন জনগণের কাছ থেকে শিখেছেন আর তা অননুকরণীয় ভঙ্গিতে অন্যদের শিখিয়েছেন। একজন উন্নয়নকর্মী কীভাবে শ্রমজীবীদের উদ্বুদ্ধ ও সংগঠিত করে তাদের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে সহায়তা করতে পারেন, তার দৃষ্টান্ত তৈরি করেছেন আনুভাই। তাঁরা বলেন, তিনি ছিলেন একাধারে সমাজপণ্ডিত, শিক্ষক, সংগীতজ্ঞ-অভিনেতা-গল্পকার, সজ্জন, বন্ধুবৎসল ও আন্তরিক আড্ডাশিল্পী। তাঁর প্রশিক্ষণ পেয়েই জিএসএস-এর সাড়ে পাঁচ হাজার কর্মী বিশেষ উদ্দীপনা নিয়ে আনন্দের সাথে কাজ শুরু করে। এছাড়াও হাজার হাজার সংগঠিত শ্রমজীবী সমাজপ্রগতির মন্ত্রে উজ্জীবিত হয়ে উন্নয়ন আন্দোলনে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিল। পড়াশুনা, মতবিনিময়, আড্ডা, গল্প, গান এবং অভিজ্ঞতা বিনিময়ও যে শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের প্রক্রিয়া হতে পারে উন্নয়ন সেক্টরে তার প্রথম দৃষ্টান্ত তিনিই স্থাপন করেছিলেন। মাত্র তিনদিন-তিনরাতের প্রশিক্ষণে সক্রিয় মানুষ তৈরির কাজ করতেন তিনি। সংস্থার হাজার হাজার কর্মী ও অভীষ্টজন তাঁকে কোনো-না-কোনোভাবে আজো মনে রেখেছেন। সকলে জানান যে, আনুভাইকে নিয়ে তাদের ব্যক্তিগত স্মৃতি আমৃত্যু অমলিন থাকবে।
আলোচকগণ বলেন, জিএসএস-এর ব্যবস্থাপনায় দুর্নীতি ঢুকে পড়া ও অন্যান্য কারণে ধ্বংস না-হওয়া পর্যন্ত (১৯৯৯) তিনি এর প্রশিক্ষণ বিভাগের পরিচালক হিসেবে কাজ করেছেন। শেষের দিকে সংস্থার চিন্তা ও কাজের ধরন পরিবর্তিত হওয়ায় তিনি হয়ত ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের উপেক্ষার শিকার হয়েছিলেন বলে কেউ কেউ ধারণা প্রকাশ করেন। তাঁরা বলেন, গণসংগঠন সদস্যদের তিনি বলতেন, শ্রমজীবীর সংগঠন গড়ে ওঠার প্রক্রিয়ায় সহায়তার পরিবর্তে কখনো যদি সংস্থা সুবিধাবাদী ভূমিকা নেয় কিংবা ব্যক্তি অথবা কয়েকজনের জন্য সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করে তাহলে তিনি সংস্থা ত্যাগ করবেন। তাঁর কথা তিনি রেখেছিলেন।
সভায় সর্বসম্মতিক্রমে কিছু সিদ্ধান্ত হয়, সেগুলো নিম্নরূপ :
আনুভাইয়ের প্রেরণাময় জীবন ও শিক্ষাকে মনে রাখতে একটি স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ করা হবে। তাই তাঁর সম্পর্কে যেকোনো লেখা (স্মরণ, অভিজ্ঞতা, স্মৃতি, গল্প) ও ছবি সংগ্রহ করা হবে। লেখা ও ছবি আগামী একমাসের মধ্যে জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়, ই-মেইল : jchatto@gmail.com (ফোন : ০১৭১১২০৮০০০)-এ অথবা ডাকযোগে আইইডি, ১৩/১৪ বাবর রোড, ব্লক বি, মোহাম্মদপুর, ঢাকা ১২০৭ ঠিকানায় পাঠাতে হবে। সম্পাদিত স্মারকগ্রন্থটির ছাপার খরচের জন্য প্রয়োজনীয় সহায়তা নেয়া হবে।
আনুভাই স্মরণে কয়েকদিনের মধ্যে একটি ব্লগ খোলা হবে। এজন্য মুজিব মেহদী উদ্যোগ ও দায়িত্ব নেবেন, জ্যোতি চট্টোপাধ্যায় তাঁকে তথ্য দিয়ে সহায়তা করবেন।
২১ আগস্ট ২০০৯ খুলনার ফুলতলায় আনুভাই স্মরণে দিনব্যাপী কর্মসূচি নেয়া হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে-- সকালে আনুভাইযের বাড়িতে মিলাদ, কাঙালিভোজ ও মতবিনিময় এবং বিকালে আসাদ-রফি লাইব্রেরিতে স্মরণসভা। এ আয়োজনে ঢাকার সহকর্মীদের কাছ থেকে আর্থিক সহায়তা গ্রহণ করা হবে এবং এজন্য যার পক্ষে যা সম্ভব তা ১৯ আগস্টের মধ্যে জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছাতে হবে। ২০ আগস্ট তা ফুলতলায় সুলতানভাইয়ের কাছে পাঠানো হবে। অন্য কর্মীদের সহায়তা খুলনার হালিমভাই ও খোকন-এর কাছে পৌঁছানো হবে।
আগামী ২৮ আগস্ট ২০০৯ সকাল ১০টায় ঢাকার সহকর্মীদের দ্বিতীয় সভা অনুষ্ঠিত হবে।
জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম সন্তান অরণ্যতরু চট্টোপাধ্যায়কে কোলে নিয়ে বসা আনুভাই। ছবি : রাজ, ১৯৮৮।
অবতরণ
সুন্দরবনের পথে মুন্সিগঞ্জ বনবিভাগের ঘাটে জ্বলন্ত সিগারেট মুখে আনুভাই। সামনে কেরিজেন উইলসন। ছবি : জ্যোতি, ১৯৯৪ (সম্ভবত)।
শ্রবণ
খুলনা ট্রেনিং সেন্টারের একটি মাসিক সমন্বয় সভায় (বাঁদিক থেকে) সহকর্মী ফ. ম. মজনু, শামসে আরা হাসান, জীবন মুখার্জী, অ্যাডভোকেট পুলিন বিহারীর সঙ্গে অংশগ্রহণকারীদের বক্তব্য শুনছেন আনুভাই। ছবি : ?, ১৯৯০ (সম্ভবত)।
মনোযোগ
চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে বিজয় দিবসের মেলায় অরণ্যতরুর প্রতি মনোযোগী আনুভাই। ছবিতে আছেন (বাঁদিক থেকে) জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়, অ্যাডভোকেট আখতার, গাড়িচালক জাহাঙ্গীর ও মনসুর। ছবি ?, ১৯৯১ (সম্ভবত)।
প্রসন্নতা
খুলনা টেনিং সেন্টারে জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে কথা বলতে বলতে ঢুকছেন আনুভাই। ছবি ?, ১৯৯৩।
অবলোকন
সুন্দরবনের দিকে যাত্রাপথে কদমতলী নদীবক্ষে কেরিজেন উইলসন ও অষ্ট্রেলিয়া থেকে আসা তাঁর ভাই ?-এর সঙ্গে একই নৌকায় আনুভাই। ছবি : জ্যোতি, ১৯৯৪।
আড্ডা
খুলনা ট্রেনিং সেন্টারে ঘুমাতে যাবার আগে শেষ মুহূর্তের আড্ডায় শামিল আনুভাই। সাথে স্বদেশ বন্ধু সরকার (চেয়ারে বসা), মলয় ভৌমিক ও জ্যোতি চট্টোপাধ্যায় (বিছানায় বসা)। ছবি : ?, ১৯৯৩ (সম্ভবত)।
এই ব্লগটি খোলা হলো আমাদের সবার প্রিয় আনুভাই (ইমদাদুল হক আনু) সম্পর্কিত প্রবন্ধ-নিবন্ধ, স্মৃতিচারণ, ছবি (একক ও দলীয়), বক্তৃতা ইত্যাদির আর্কাইভ হিসেবে। প্রথম স্মরণসভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এখানে সংগৃহীত রচনাবলি ও ছবিসমূহ নিয়ে ইমদাদুল হক আনু স্মারক সংকলন প্রকাশের ব্যবস্থা করা হবে।
যে কেউ আনুভাই সংক্রান্ত লেখা ও ছবি (যদি সংগ্রহে থাকে) পাঠাতে পারেন জ্যোতি চট্টোপাধ্যায় (jchatto@gmail.com)-এর ঠিকানায়। পাওয়ামাত্র যথাসম্ভব দ্রুত তা ব্লগে আপলোড করবার ব্যবস্থা করা যাবে।
লেখা বাংলা ইংরেজি যেকোনো ভাষায় হতে পারে।
স্থানীয় ও জাতীয় যেকোনো কাগজে আনুভাই বিষয়ে কারো কোনো লেখা ছাপা হলে ইমেইলে তার লিংক পাঠাবারও অনুরোধ করা যাচ্ছে। যেসব কাগজের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট নেই, সেসব কাগজের ক্ষেত্রে একটি হার্ড কপি সংগ্রহ করে লেখাটির স্ক্যান কপি পাঠানো যেতে পারে। এটাও সম্ভব না-হলে ডাকযোগে হার্ড কপিটিই পাঠানো যেতে পারে, যাতে স্ক্যান করে ব্লগে আপডেট দেয়া যায়।